শাহরাস্তির মনিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তীব্র শিক্ষক সংকট, ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান।

শাহরাস্তির মনিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তীব্র শিক্ষক সংকট, ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান।

শাহরাস্তির মনিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তীব্র শিক্ষক সংকট, ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান।

শাহরাস্তি থেকে মোঃ হাবিবুর রহমান ভূঁইয়াঃ শাহরাস্তি উপজেলার চিতুষি পূর্ব ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী মনিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি দীর্ঘ দিন ধরে তীব্র শিক্ষক সংকটে ভুগছে। শিক্ষক স্বল্পতার কারণে বিদ্যালয়টির স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা গেছে।বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, শিশু শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান করা হলেও এখানে মোট শিক্ষকের অনুমোদিত পদ মাত্র আটটি। এর মধ্যে গত কয়েক বছর ধরে তিনটি পদই শূন্য রয়েছে। বর্তমানে মাত্র পাঁচজন শিক্ষক দিয়েই জোড়াতালি দিয়ে চলছে পুরো শিক্ষা কার্যক্রম। অথচ বিদ্যালয়টিতে মনিপুর ও খিতারপাড়সহ আশপাশের গ্রামের প্রায় চার শতাধিক শিক্ষার্থী নিয়মিত পড়াশোনা করছে।
​সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা জানান, মাত্র পাঁচজন শিক্ষক দিয়ে আটটি শ্রেণির ক্লাস পরিচালনা করা অত্যন্ত কষ্টকর ও দুরূহ হয়ে পড়েছে। পাঠদান চালিয়ে যেতে তাদের রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত গুণগত শিক্ষা অর্জন ব্যাহত হবে এবং পড়ালেখার মান মারাত্মকভাবে নিচে নেমে যাবে।
​স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বছরের পর বছর এমন শিক্ষক সংকট কোনোভাবেই কাম্য নয়।শিক্ষক ও অভিভাবকরা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, চলমান শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে এই বিদ্যালয়ে দ্রুত শিক্ষক পদায়ন করা হলে শিক্ষক ও শিক্ষার ঘাটতি দূর হবে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা স্বাভাবিক ছন্দে ফিরবে।

শাহরাস্তিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার বিক্রি, বাজার দরে অস্থিরতা: চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

শাহরাস্তির মনিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তীব্র শিক্ষক সংকট, ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান।

শাহরাস্তিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার বিক্রি, বাজার দরে অস্থিরতা: চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

শাহরাস্তি থেকে মোঃ হাবিবুর রহমান ভূঁইয়াঃ শাহরাস্তিতে বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁয় অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাবার তৈরি এবং বিক্রি হচ্ছে। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অবাধে চলছে এসব অনিয়ম, যার ফলে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
​স্থানীয় বেকারিগুলোর অবস্থাও অত্যন্ত উদ্বেগজনক। উৎপাদিত বিস্কুট, কেক ও অন্যান্য সামগ্রীর প্যাকেটে উৎপাদন এবং মেয়াদোত্তীর্ণের কোনো তারিখ উল্লেখ ছাড়াই অবাধে বিক্রি করা হচ্ছে। শিশুসহ সব বয়সী মানুষ এসব মেয়াদহীন পণ্য খেয়ে পেটের পীড়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন।
​এর পাশাপাশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে চরম নৈরাজ্য বিরাজ করছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, এক এক দোকানে একই পণ্যের এক এক রকম মূল্য রাখা হচ্ছে। সঠিক মূল্যতালিকা প্রদর্শন বা সরকার নির্ধারিত দামের কোনো তোয়াক্কা করছেন না অসাধু ব্যবসায়ীরা, ফলে ক্রেতারা প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন।
​অন্যদিকে, বাজারে বিক্রি হওয়া কাঁচা কলা রহস্যজনকভাবে খুব দ্রুত পেকে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অসাধু চক্র অতিরিক্ত রাসায়নিক বা কেমিক্যাল দিয়ে কৃত্রিমভাবে এসব ফল পাকাচ্ছে। এসব বিষাক্ত কেমিক্যালযুক্ত ফল খেয়ে জনস্বাস্থ্য চরম হুমকির মুখে পড়লেও তা দেখার বা তদারকি করার যেন কেউ নেই।
​জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে উপজেলা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তদন্তে সত্যতা নিশ্চিত ছাড়া কোনো সাংবাদিককে গ্রেফতার করা যাবেনা; বিএমএসএফ

শাহরাস্তির মনিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তীব্র শিক্ষক সংকট, ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান।

তদন্তে সত্যতা নিশ্চিত ছাড়া কোনো সাংবাদিককে গ্রেফতার করা যাবেনা; বিএমএসএফ

ঢাকা, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রী:সাইবার নিরাপত্তা আইনে সাংবাদিকদের গ্রেফতারে আদালতের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার ব্যাপারে বৈঠকে প্রস্তাবনা এসেছে বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে আদালতের অনুমতির প্রয়োজন নেই মন্তব্য করে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে সংশোধিত আইনে এমন বিধান রাখা উচিত যে, “তদন্তে সত্যতা নিশ্চিত ছাড়া কোনো সাংবাদিককে গ্রেফতার করা যাবে না”।

সোমবার সংগঠনটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফর গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা বলেছেন। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের কন্ঠরোধ করতেই যেনো সংশোধিত আইনটি করা না হয়। গণমাধ্যমকে মুক্ত রেখে যেনো আইনটি প্রণয়ন করা হয় সেদিকে অংশীজনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। কেননা, গণমাধ্যমকে ছাড়া একটি দেশের গণতন্ত্র, সুশাসন, ন্যায়বিচার কোনটাই নিশ্চিত করা যাবেনা।

প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬ কোনো নিপীড়নমূলক আইনে পরিণত হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। কোনো সাংবাদিক বা গণমাধ্যম যেন আইনের অপপ্রয়োগের শিকার না হয়, সে বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে বলেও তিনি জানান। অংশীজনদের মতামত ও বিস্তৃত আলোচনার মাধ্যমে আইনটি চূড়ান্ত করা হবে।

তবে এখনও অধিকাংশ অংশীজনদের এ আইন প্রণয়নের ব্যাপারে বাইরে রাখা হচ্ছে বলে বিএমএসএফের পক্ষ থেকে মন্তব্য করা হয়েছে।

আজ সোমবার সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এক পরামর্শ সভা শেষে এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
দেশের উল্লেখযোগ্য প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সম্পাদক, প্রতিনিধি, বিশিষ্ট সাংবাদিক, সংবাদপত্র সংগঠন ও সাংবাদিকদের পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এটি সরকারের দ্বিতীয় বৈঠক বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট সংশোধনের লক্ষ্যে তৈরি খসড়া বিলটি এর আগে মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হয়েছিল। মন্ত্রিসভা সাইবার পরিসরে কর্মরত তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে বিস্তৃত আলোচনা এবং পরামর্শের নির্দেশ দিয়েছে।

খসড়া বিলটি যাতে নিপীড়নমূলক হাতিয়ারে পরিণত না হয়, সে জন্য সমাজের সব স্তরের মতামত নিতে এটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয় বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, মানবাধিকার সংগঠন, শিক্ষার্থী ও সাইবার পরিসরের ব্যবহারকারীরা ইতিমধ্যে মতামত পাঠিয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে সেসব মতামত সংকলন করা হয়েছে। ১০ সেপ্টেম্বর সম্পাদকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত প্রথম বৈঠকে পরবর্তী সভায় সুস্পষ্ট লিখিত মতামত দেওয়া বা ওয়েবসাইটে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছিল। অনেকে আজকের বৈঠকে মতামতের সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করেছেন এবং লিখিত মতামত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন

কিশোরদের বিরুদ্ধে তকমা নয়, চাই দায়িত্বশীলতা

শাহরাস্তির মনিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তীব্র শিক্ষক সংকট, ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান।

কিশোরদের বিরুদ্ধে তকমা নয়, চাই দায়িত্বশীলতা

পুলিশের অভিযান প্রয়োজন, কিন্তু অভিযানে আটক হওয়া মানেই অপরাধী নয়। কিশোরদের সুরক্ষা ও সংশোধনের পাশাপাশি সংবাদ প্রকাশেও চাই তথ্যনির্ভরতা, সংযম ও মানবিকতা।

শাহরাস্তিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪৫ জন কিশোরকে আটক করা হয়েছে। পরে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কিশোরদের অপরাধপ্রবণতা থেকে দূরে রাখা এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের উদ্যোগকে স্বাগত জানানো যায়। একই সঙ্গে এ ঘটনা অভিভাবকদের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা—সন্তান কোথায় যায়, কার সঙ্গে মেশে, কীভাবে সময় কাটায়, সে বিষয়ে নজর রাখা জরুরি।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, আটক হওয়া ৪৫ জন কিশোরই কি ‘কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য’?

কোনো স্থানে আড্ডা দেওয়া, সন্দেহের ভিত্তিতে আটক হওয়া কিংবা পুলিশের অভিযানে উপস্থিত থাকার সঙ্গে ‘কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য’ হওয়ার বিষয়টি এক নয়। কারও বিরুদ্ধে অপরাধের নির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে সেটি তদন্ত ও প্রমাণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার বিষয়। সেই প্রক্রিয়ার আগেই একজন কিশোরের পরিচয়ের সঙ্গে অপরাধের তকমা জুড়ে দেওয়া কতটা দায়িত্বশীল—সেটিই ভাবার বিষয়।

এখানে সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সাংবাদিকতার মূল শক্তি তথ্য, যাচাই ও সত্যনিষ্ঠতা। একটি সংবাদ মানুষকে সচেতন করতে পারে, অপরাধ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে পারে, প্রশাসনকে দায়িত্বশীল হতে বাধ্য করতে পারে। কিন্তু একটি ভুল শব্দ একই সঙ্গে একটি কিশোর ও তার পরিবারের জন্য সামাজিক বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

বিশেষ করে কিশোরদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও সংবেদনশীল। কৈশোর ভুল-শোধরানোর বয়স। এই বয়সে কারও বিরুদ্ধে প্রকাশিত একটি অপবাদ পরবর্তী জীবনে তার শিক্ষা, সামাজিক সম্পর্ক, আত্মমর্যাদা ও ভবিষ্যৎকে প্রভাবিত করতে পারে। ডিজিটাল মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ আবার মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে এবং দীর্ঘদিন অনলাইনে থেকে যায়। ফলে সংবাদ প্রকাশের সময় সাংবাদিককে শুধু ‘খবরটি কতটা আকর্ষণীয়’—তা নয়, ‘এর সামাজিক পরিণতি কী হতে পারে’—সেটিও বিবেচনায় রাখতে হয়।

অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই লিখতে হবে। সন্দেহভাজনকে সন্দেহভাজন হিসেবেই উল্লেখ করতে হবে। তদন্তাধীন বিষয়কে তদন্তাধীন হিসেবেই উপস্থাপন করতে হবে। আর অপরাধ প্রমাণিত না হলে কাউকে অপরাধী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা থেকে বিরত থাকা সংবাদমাধ্যমের নৈতিক দায়িত্ব।

একই সঙ্গে কিশোরদের পরিবারকেও দায়িত্ব নিতে হবে। সন্তানকে শুধু শাসন করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। তার কথা শুনতে হবে, বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করতে হবে, তার বন্ধু ও চলাফেরা সম্পর্কে জানতে হবে। কোথাও বিচ্যুতির লক্ষণ দেখা দিলে শেষ পর্যায়ে পৌঁছানোর অপেক্ষা না করে শুরুতেই পাশে দাঁড়াতে হবে।

কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশ, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমাজ ও সংবাদমাধ্যম—সবারই নিজস্ব দায়িত্ব রয়েছে। পুলিশের অভিযান অপরাধ ঠেকাবে, পরিবার সন্তানকে আগলে রাখবে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মূল্যবোধ গড়ে তুলবে এবং সংবাদমাধ্যম সত্য ও দায়িত্বশীল তথ্য তুলে ধরবে—এই সমন্বিত উদ্যোগই পারে একটি প্রজন্মকে ভুল পথে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে।
শাহরাস্তি থানা পুলিশের অভিযান তাই হোক অপরাধ প্রতিরোধের পাশাপাশি কিশোরদের সংশোধনের সুযোগ তৈরির একটি উদ্যোগ। আর সংবাদমাধ্যমের প্রতি প্রত্যাশা একটাই—খবর প্রকাশ হোক কঠোরভাবে সত্যের পক্ষে, কিন্তু কোনো নিরপরাধ কিশোরের ভবিষ্যৎ যেন অসতর্ক একটি শব্দে বিপন্ন না হয়।

কারণ, কলমের দায়িত্ব শুধু অপরাধের খবর দেওয়া নয়; মানুষের মর্যাদাও রক্ষা করা।