শাহরাস্তিতে মেধাবৃত্তি ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন

শাহরাস্তিতে মেধাবৃত্তি ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন

শাহরাস্তিতে মেধাবৃত্তি ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন

শাহরাস্তি থেকে মোঃ হাবিবুর রহমান ভূঁইয়াঃ “মেধাবীরা গড়বে সোনার বাংলা” এই স্লোগানকে সামনে রেখে চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে ‘শাহরাস্তি মেধাবৃত্তি ফাউন্ডেশন (SMF)’-এর উদ্যোগে বার্ষিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬ অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (০৬ নভেম্বর ২০২৬) শাহরাস্তি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও শাহরাস্তি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে একযোগে এই বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। আয়োজক সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সাল থেকে প্রতিষ্ঠিত এই ‘শাহরাস্তি মেধাবৃত্তি ফাউন্ডেশন (SMF)’ প্রতিবছরের ন্যায় এবারও ১০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির পরিচালনায় এবং স্থানীয় শিক্ষানুরাগীদের সহযোগিতায় শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে এ বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করে আসছে। ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পর্ষদে রয়েছেন— মো. কামাল হোসেন, মো. আলাউদ্দিন, মো. মোতাহের হোসেন, মো. আব্দুর রহিম, বিজয় লাল দে, মোহাম্মদ হোসাইন, শাহ এমরান, হারুন অর রশিদ শেখ, জয় লাল দে এবং ইকবাল হোসেন।
​পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রগুলোতে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক ও অভিভাবকরা এমন মহতী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। এবছর মোট চারটি কেন্দ্রে মেধা বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। জানা গেছে চারটি কেন্দ্রে মোট ১৯২০ জন ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ। করেছেন।

শাহরাস্তিতে এইচএসসি ও আলিমে পাসের হার ৪৪.৮৮ ও ৫৭.৪৬ শতাংশ, ভোকেশনালে শতভাগ

শাহরাস্তিতে মেধাবৃত্তি ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন

শাহরাস্তিতে এইচএসসি ও আলিমে পাসের হার ৪৪.৮৮ ও ৫৭.৪৬ শতাংশ, ভোকেশনালে শতভাগ

এইচএসসিতে ১ হাজার ৫৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৪৭৩ জন; আলিমে ২৬৮ জনের মধ্যে ১৫৪ জন উত্তীর্ণ। ভোকেশনালে ৪৪ পরীক্ষার্থীর সবাই পাস করেছেন

মোঃ রুহুল আমিন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শাহরাস্তি (চাঁদপুর) থেকে : চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি), আলিম ও এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার ফলাফলে তিন ধারায় তিন ধরনের চিত্র দেখা গেছে। এইচএসসিতে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ, আলিমে ৫৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ। অন্যদিকে, এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৪৪ জন পরীক্ষার্থীর সবাই পাস করেছেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের প্রকাশিত ফলাফল বিবরণী থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

ফলাফল অনুযায়ী, শাহরাস্তির ছয়টি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় মোট ১ হাজার ৫৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৭৩ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ৫৮১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন দুজন। সব মিলিয়ে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

কলেজভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে বেশি পাসের হার সূচীপাড়া ডিগ্রি কলেজে। প্রতিষ্ঠানটির ২৭১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ১৯০ জন। পাসের হার ৭০ দশমিক ১১ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানের দুজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

অন্যদিকে, চিতোষী ডিগ্রি কলেজে পাসের হার সবচেয়ে কম। প্রতিষ্ঠানটির ২০৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৫৪ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ১৫৫ জন। পাসের হার ২৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

এ ছাড়া করফুলেন্নেছা সরকারি মহিলা কলেজে ১৭৩ জনের মধ্যে ৪৬ জন, মেহের ডিগ্রি কলেজে ২৫৩ জনের মধ্যে ১০২ জন, চেড়িয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৬৯ জনের মধ্যে ৪৩ জন এবং খিলাবাজার স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৭৯ জনের মধ্যে ৩৮ জন পাস করেছেন।

আলিম পরীক্ষায় উপজেলার ১০টি মাদ্রাসা থেকে অংশ নেন ২৬৮ জন। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ১৫৪ জন, অকৃতকার্য হয়েছেন ১১৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন দুজন। মোট পাসের হার ৫৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

মাদ্রাসাভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে বেশি পাসের হার চিতোষী সুলতানিয়া ফাজিল মাদ্রাসায়। প্রতিষ্ঠানটির ২২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ১৮ জন। পাসের হার ৮১ দশমিক ৮২ শতাংশ।
অন্যদিকে, সবচেয়ে কম পাসের হার আহমদনগর আব্দুল আজিজ ফাজিল মাদ্রাসায়। প্রতিষ্ঠানটির ২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ৯ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ১৬ জন। পাসের হার ৩৬ শতাংশ।

আলিমে ভোলদিঘী কামিল মাদ্রাসার ৩৭ জনের মধ্যে ২৮ জন, পরানপুর ফাজিল মাদ্রাসার ৩২ জনের মধ্যে ১৯ জন, গাজীহিয়া হাসেমিয়া সেকান্দর আলী সুনিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ৩৪ জনের মধ্যে ২১ জন, নুনিয়া ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ৩১ জনের মধ্যে ১৩ জন, রাজাপুরা আল আমিন ফাজিল মাদ্রাসার ১৪ জনের মধ্যে ৬ জন, শাহরাস্তি চিশতিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার ৪০ জনের মধ্যে ২২ জন, শাহরাস্তি মডেল মহিলা আলিম মাদ্রাসার ১৬ জনের মধ্যে ৭ জন এবং রাগৈ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার ১৭ জনের মধ্যে ১১ জন পাস করেছেন।

তবে এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় শতভাগ পাসের সাফল্য এসেছে চিতোষী ডিগ্রি কলেজে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছেন। পাসের হার ১০০ শতাংশ। এ বিভাগে কোনো পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হননি এবং কেউ জিপিএ-৫ পাননি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের ফলাফল বিবরণীতে স্বাক্ষর করেছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. কামরুজ্জামান। ২০২৬ সালের এইচএসসি, আলিম ও এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল ওই কার্যালয় থেকে প্রেরণ করা হয়েছে।

ফলাফলে দেখা যায়, এইচএসসিতে পাসের হার ৫০ শতাংশের নিচে থাকলেও আলিমে তা ৫৭ শতাংশের বেশি। আর ভোকেশনালে শতভাগ পাসের ফলাফল শিক্ষার্থীদের জন্য ইতিবাচক চিত্র তুলে ধরেছে। তবে এইচএসসি ও আলিমের ফলাফলে প্রতিষ্ঠানভেদে পাসের হারের উল্লেখযোগ্য ব্যবধানও চোখে পড়ার মতো।

শাহরাস্তিতে আইন শৃঙ্খলা ও মাসিক সাধারণ সভায়,অবৈধ ইটভার্টা ও মাদকবিরোধী কার্যক্রমে কঠোর হুঁশিয়ারি নির্বাহী কর্মকর্তার

শাহরাস্তিতে মেধাবৃত্তি ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন

শাহরাস্তিতে আইন শৃঙ্খলা ও মাসিক সাধারণ সভায়,অবৈধ ইটভার্টা ও মাদকবিরোধী কার্যক্রমে কঠোর হুঁশিয়ারি নির্বাহী কর্মকর্তার

শাহরাস্তি থেকে মোঃ হাবিবুর রহমান ভূঁইয়াঃ উপজেলায় মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার পাশাপাশি অবৈধ ইটভার্টা ওমাদক বিরোধী কার্যক্রম ও লাইসেন্সবিহীন ব্যবসার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুশিয়ারি দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরা খাতুন । ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ১১ টায় আইন-শৃঙ্খলা ও মাসিক সাধারণ সভা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিটিং রুমে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় তিনি এই ঘোষণা দেন।
​সভাপতির বক্তব্য রাখতে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, “আমাদের নিজেদের সন্তানদের জন্য যদি একটি সুস্থ পরিবেশ চাই, তবে আমাদের সবাইকে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া উচিত।” তিনি উল্লেখ করেন, আশেপাশের কোনো তরুণ বা কিশোর বিপদে পড়লে তাকে মোটিভেশন দিয়ে এবং বাবা-মায়ের সাথে কথা বলে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে হবে। কেবল নিজের সন্তান ভালো আছে—এমন আত্মতুষ্টিতে ভোগার সুযোগ নেই, কারণ সমাজের শৃঙ্খল রক্ষায় সবাইকেই সচেতন থাকতে হবে।
​ইটভার্টার ব্যবসার বিষয়ে তিনি বলেন, বিগত দুই মাস ধরে ডিসি অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী সকল উপজেলার ইনভার্টার মালিকদের সাথে বৈঠক করা হয়েছে এবং অবৈধ ইটভার্টার মালিকদের আগেই সতর্ক করা হয়েছে। যাদের ব্যবসার কোনো বৈধ লাইসেন্স বা পূর্ব প্রস্তুতি নেই, তারা যেন এই ধরনের কার্যক্রমে যুক্ত না হন। এরপরও যদি কেউ নির্দেশ অমান্য করে এই ব্যবসা চালিয়ে যান, তবে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে কঠোর মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। আসন্ন কালীপূজার মেলা এবং সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সভায় সন্তোষ প্রকাশ করা হয় এবং পূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ শামসুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আয়াত আলী ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক সেলিম পাটোয়ারী লিটন,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী, পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ আবুল কালাম, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ বেলায়েত হোসেন সেলিম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আবু নাসের শাকিল, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ডঃ সাজ্জাদুর রহমান, সমাজসেবা অফিসার মোঃ মনিরুল ইসলাম, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার মাকসুদ আলম, বন কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির,প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আওরঙ্গজেব, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুজ্জামান, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলাম, উক্ত মিটিংয়ে আরো উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ শিক্ষক প্রতিনিধি সাংবাদিক

মনোহরগঞ্জে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও হাত ধোয়া প্রদর্শনী

শাহরাস্তিতে মেধাবৃত্তি ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পরীক্ষা সম্পন্ন

মনোহরগঞ্জে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও হাত ধোয়া প্রদর্শনী

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ

বিশেষ প্রতিনিধি মনোহরগঞ্জ(কুমিল্লা) থােকে : পরিচ্ছন্ন হাত, সুস্থ জীবন—এই বার্তাকে সামনে রেখে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস-২০২৬ উপলক্ষে র‍্যালি ও হাত ধোয়া প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

উপজেলা প্রশাসন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, মনোহরগঞ্জের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা, নিরাপদ পানি ব্যবহার এবং সঠিক নিয়মে হাত ধোয়ার গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানো।

কর্মসূচিতে হাত ধোয়ার সঠিক পদ্ধতি প্রদর্শনের মাধ্যমে দৈনন্দিন জীবনে পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষ করে খাবার গ্রহণের আগে, শৌচাগার ব্যবহারের পর এবং ময়লা বা জীবাণুর সংস্পর্শে আসার পর সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধোয়ার অভ্যাস বিভিন্ন সংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব অপরিসীম। হাত ধোয়ার মতো সহজ একটি অভ্যাস ব্যক্তিগত সুস্থতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজকে বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে। এ কারণে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের মধ্যে নিয়মিত ও সঠিকভাবে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।

বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে পরিচ্ছন্নতার চর্চা ছড়িয়ে দেওয়া এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধির বার্তা তুলে ধরা হয়।