সাংবাদিক সুরক্ষা আইন নভেম্বরের মধ্যেই প্রণয়ন করতে হবে

সাংবাদিক সুরক্ষা আইন নভেম্বরের মধ্যেই প্রণয়ন করতে হবে

সাংবাদিক সুরক্ষা আইন নভেম্বরের মধ্যেই প্রণয়ন করতে হবে

ঢাকা, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রী: সাংবাদিক সুরক্ষা আইন নভেম্বরের মধ্যেই প্রণয়ন করতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে সারাদেশের সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। কথাটা রাষ্ট্রযন্ত্রকে এখনই গুরুত্বসহকারে দেখা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি আহমেদ আবু জাফর।

তিনি বলেন, ৫৫ বছরে সরকার গুলো অজস্র আইন প্রণয়ন করে গেছেন; অথচ গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের জন্য কিছুই করেনি। শনিবার বিকেলে মিরপুরে দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার ২৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন নিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির তিনি একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা -২৩ আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদ মিষ্টি, হিউম্যান এইড ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান সেহলী পারভীন, , দৈনিক পাঞ্জেরীর সম্পাদক তালুকদার রুমি, ঢাকা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামাল, তুরাগ থানা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল আলী প্রমূখ।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পত্রিকাটির সম্পাদক খান সেলিম রহমান। বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মুহিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন সাংবাদিক ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। সভায় পত্রিকাটির বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিল।

জামিনে এসে সাক্ষীকে হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

সাংবাদিক সুরক্ষা আইন নভেম্বরের মধ্যেই প্রণয়ন করতে হবে

জামিনে এসে সাক্ষীকে হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

শাহরাস্তিতে মামলার বাদী-সাক্ষীদের হেনস্তার অভিযোগ, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ

শাহরাস্তি (চাঁদপুর) প্রতিনিধি: চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে একটি মামলায় জামিনে থাকা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলার বাদী ও সাক্ষীদের ওপর হামলার চেষ্টা, হেনস্তা, অশালীন গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার তদন্ত করছেন শাহরাস্তি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফরিদ উদ্দীন।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের শংকরপুর গ্রামের কাজীবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন মামলার বাদী ও সাক্ষীরা।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ এপ্রিল শংকরপুর কাজীবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় কাজী ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ বাদী হয়ে ২৩ এপ্রিল আদালতে মামলা করেন। সিআর ১২৩/২০২৬ নম্বর মামলায় কাজী খোরশেদ আলম, কাজী অনিক, কাজী অন্তর, কাজী ঐশ্বর্য, কাজী ইসমাইল, মেহেদী হাসান, কাজী রবিউল ও কাজী নাজির হোসেন টিটুসহ নয়জনকে আসামি করা হয়।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর মামলার আসামিরা আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেন। আদালত ছয় আসামির জামিন মঞ্জুর করেন এবং কাজী অনিকের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

অভিযোগ রয়েছে, ওই দিন বিকেলে কাজী অনিকের জামিন না হওয়ার খবর এলাকায় পৌঁছার পর আসামিপক্ষের কয়েকজন ব্যক্তি মামলার বাদী ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ, ১ নম্বর সাক্ষী বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী হুমায়ুন কবিরসহ অন্য সাক্ষীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। তাঁদের গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ ওঠে।

এ পরিস্থিতিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী হুমায়ুন কবির ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। খবর পেয়ে সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে এসআই ফরিদ উদ্দীন সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। সেখানে মামলার সাক্ষী শংকরপুর কাজীবাড়ি মসজিদের মুয়াজ্জিন মো. শাওনসহ স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি পুলিশকে ঘটনার বিষয়ে জানান। এ সময় স্থানীয় অর্ধশতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

কাজী হুমায়ুন কবিরের অভিযোগ, পুলিশ ঘটনাস্থল ত্যাগ করার পর কয়েকজন জামিনপ্রাপ্ত আসামি তাঁকে মারধরের উদ্দেশ্যে ধাওয়া করেন। প্রাণরক্ষায় তিনি বাড়ির গেট দিয়ে প্রবেশের সময় পেছন থেকে ধাক্কা দেওয়া হয়। পরে গেট ধাক্কাধাক্কি করে তাঁকে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এ সময় আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন বলে তাঁর দাবি।

এ ছাড়া মামলার সাক্ষীদের ওপর বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করে ঘটনার ভিন্ন বক্তব্য দেওয়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাবেক সরকারি কর্মকর্তা আবদুল খালেক পাটোয়ারীর ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

সাংবাদিক সুরক্ষা আইন নভেম্বরের মধ্যেই প্রণয়ন করতে হবে

সাবেক সরকারি কর্মকর্তা আবদুল খালেক পাটোয়ারীর ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

বিশেষ প্রতিনিধি, শাহরাস্তি (চাঁদপুর) : চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে সাবেক সরকারি কর্মকর্তা মোঃ আবদুল খালেক পাটোয়ারীর ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) শাহরাস্তি মারকাজুল কোরআন হিফয মাদ্রাসায় এ আয়োজন করা হয়।

মরহুম আবদুল খালেক পাটোয়ারী চাঁদপুর প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য ও শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের সহসভাপতি রোটারিয়ান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম হৃদয়ের বাবা।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কোরআন খতম শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এতে মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাফেজ মোঃ শাহজালাল, আন-নূর ইসলামিক পাঠাগার ও সমাজকল্যাণ পরিষদের পরিচালক আবদুর রহমান আরজু এবং মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মরহুম আবদুল খালেক পাটোয়ারীর ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বাদ জোহর কবর জিয়ারত ও দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। শাহরাস্তি পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষ্ণপুর পাটোয়ারী বাড়ি বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

কবর জিয়ারত ও দোয়া অনুষ্ঠানে বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ মাইন উদ্দিন, খোরশেদ আলম পাটোয়ারীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।

মরহুমের সন্তানরা তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে আত্মীয়স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও এলাকাবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি শুরু

সাংবাদিক সুরক্ষা আইন নভেম্বরের মধ্যেই প্রণয়ন করতে হবে

শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি শুরু

শতবর্ষে শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়
২০২৭ সালে বর্ণাঢ্য আয়োজন, আহ্বায়ক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত

বিশেষ প্রতিনিধি, শাহরাস্তি (চাঁদপুর) থেকে : চাঁদপুরের শাহরাস্তি সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন ঘিরে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ঐতিহ্যবাহী এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শতবর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে ২০২৭ সালে বর্ণাঢ্য আয়োজন করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে প্রথম প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য সৈয়দ ইমাম হাসান সুমন।

সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ ইমাম হাসান সুমন বলেন, শতবর্ষ পূর্তি একটি ঐতিহাসিক ও গৌরবের আয়োজন। এ অনুষ্ঠান সফল ও স্মরণীয় করতে এখন থেকেই সুপরিকল্পিতভাবে এগিয়ে যেতে হবে। অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ, সার্বিক পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর কমিটি গঠন জরুরি। তিনি সাবেক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

সভায় দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। তাঁরা শতবর্ষ উদযাপনকে ঘিরে নানা প্রস্তাব ও দিকনির্দেশনা দেন। দীর্ঘ আলোচনার পর বিভিন্ন ব্যাচ থেকে দুজন করে সাবেক শিক্ষার্থী নিয়ে একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে ২০২৭ সালের সুবিধাজনক সময়ে শতবর্ষ পূর্তি উৎসব আয়োজনের বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ঈমাম হোসেন বলেন, ‘শতবর্ষ পূর্তি আমাদের বিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবের বিষয়। সাবেক শিক্ষার্থী, বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক পরামর্শ ও সহযোগিতা ছাড়া এত বড় আয়োজন সফল করা সম্ভব নয়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা অনুষ্ঠানটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চাই।’

সভায় বিদ্যালয়ের প্রয়াত প্রধান শিক্ষক মরহুম সিদ্দিকুর রহমানসহ সব প্রয়াত শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। পাশাপাশি বর্তমানে জীবিত শিক্ষকদের সম্মাননা দেওয়ার বিষয়েও মতামত তুলে ধরা হয়।

শতবর্ষের এই প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার পেছনে যাঁরা ভূমি, অর্থ, শ্রম ও নানা ত্যাগ-তিতিক্ষার মাধ্যমে অবদান রেখেছেন, সভায় তাঁদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। তাঁদের অবদানকে শতবর্ষ উদযাপনের কর্মসূচিতে যথাযথভাবে তুলে ধরার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

বিশেষভাবে প্রয়াত প্রধান শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করেন কয়েকজন সাবেক শিক্ষার্থী। প্রিয় শিক্ষকের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তাঁদের কেউ কেউ আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তাঁরা বলেন, ‘সিদ্দিকুর রহমান স্যার শুধু শিক্ষক ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমাদের অভিভাবক ও পথপ্রদর্শক। তিনি ছিলেন একজন মেধাবী ও আদর্শ শিক্ষক। শতবর্ষের আয়োজনে তাঁর অবদান যথাযথভাবে স্মরণ ও স্বীকৃতি পাওয়ার দাবি রাখে।’

সভায় বক্তারা বলেন, শতবর্ষ পূর্তি শুধু একটি আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়; এটি বিদ্যালয়ের শত বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য, অর্জন ও অবদানের সঙ্গে নতুন প্রজন্মের সংযোগ তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। তাই সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং এলাকার সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে আয়োজনটি সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

শতবর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি এগিয়ে নিতে আগামী ১০ অক্টোবর ২০২৬ আহ্বায়ক কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় শতবর্ষ উদযাপনের সম্ভাব্য তারিখ, কর্মসূচি, অর্থায়ন, অংশগ্রহণ, স্মারক প্রকাশনাসহ সার্বিক বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।

আয়োজকেরা শতবর্ষের এ আয়োজনকে সফল করতে বিদ্যালয়ের সব সাবেক ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।