মাওলানা কফিল উদ্দিনের জানাজায় মুসল্লীর ঢল, বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক শোক প্রকাশ
মাওলানা কফিল উদ্দিনের জানাজায় মুসল্লীর ঢল, বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক শোক প্রকাশ
মোঃ জসিম উদ্দিনঃ চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার সূচীপাড়া উত্তর ইউনিয়নের শোরসাক গ্রামের কৃতি সন্তান শোরসাক গ্রামে অবস্থিত চেড়িয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের প্রাক্তন ধর্মীয় শিক্ষক, বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন, মাওলানা কফিল উদ্দীনের নামাজের জানাজায় বিপুল সংখ্যক মুসল্লীর অংশগ্রহণ করে। উক্ত জানাজার অনুষ্ঠানে এক হৃদয়বিদারক ও শোকাবহ পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
মরহুম কফিল উদ্দীন ছিলেন, একজন ধর্মপ্রাণ, সৎ, আল্লাহ ভীরু ও নবী প্রেমিক হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত ছিলেন। তাঁর ইন্তেকালে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসীর মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে।শোরসাকে বাজারের সাথে অবস্থিত চেড়িয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ মাঠে তাঁর প্রথম জানাজার নামাজে ইমামতি করেন, বাংলাদেশ ইসলামীক ফ্রন্টের চেয়ারম্যান, আওলাদে রাসুল, পিরে তরিকত, মাওলানা বাহাদুর শাহ মুজাদ্দেদী আল আবেদী সাহেব।
জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, আলেম-ওলামা, জনপ্রতিনিধি, শুভাকাঙ্খী সহ সর্বস্তরের মুসল্লীগণ অংশগ্রহণ করেন। জানাজা শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ মরহুম কফিল উদ্দীনের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান। বক্তারা বলেন, তিনি ছিলেন, একজন নিরহঙ্কার, সদালাপী ও মানবিক গুণসম্পন্ন মানুষ। তাঁর মৃত্যু এলাকাবাসীর জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি ও শূন্যতার সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশ ইসলামীক ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা এবং সংশ্লিষ্ট সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের পক্ষ থেকে এক যৌথ শোকবার্তায় মরহুম কফিল উদ্দীনের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। শোকবার্তায় বলা হয়—“আমরা গভীর শোক ও দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, বাংলাদেশ ইসলামীক ফ্রন্ট শাহরাস্তি উপজেলার আওতাধীন সূচীপাড়া উত্তর ইউনিয়ন শাখার সাবেক সভাপতি মাওলানা কফিল উদ্দীন ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আমরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে দোয়া করছি—তিনি যেন মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদাউসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন। একই সঙ্গে শোকাহত পরিবার-পরিজনকে এই শোক সহ্য করার তাওফিক দান করেন।”শোকবার্তায় মরহুমের পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয় এবং সকলকে মরহুমের জন্য দোয়া করার আহ্বান জানানো হয়। উল্লেখ্য, মরহুম কফিল উদ্দীন মৃত্যুকালে চার ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন। তাঁর সন্তানদের মধ্যে শরীফ উল্যাহ একজন ব্যাংক কর্মকর্তা ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব।
তিনি নবী প্রেমিক ও অলি প্রেমিক হিসেবে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
মরহুম মাওলানা কফিল উদ্দীনের ইন্তেকালে পুরো এলাকায় এক শোকস্তব্ধ পরিবেশ বিরাজ করছে।






