অসুস্থ নুরুজ্জামান চিকিৎসার জন্য আবারও পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি, তার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন!
অসুস্থ নুরুজ্জামান চিকিৎসার জন্য আবারও পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি, তার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন!
বিশেষ প্রতিনিধি :
মানুষ মানুষের জন্যে
জীবন জীবনের জন্যে
একটু সহানুভূতি কি
মানুষ পেতে পারে না? ও বন্ধু……
গীতিকার শিবদাস বন্দ্যোপাধ্যায় এর কথায় সুরারোপ করে এই কালজয়ী গানটি গেয়েছিলেন শিল্পী ভূপেন হাজারিকা। আজকের দিনে গানটি খুবই প্রাসঙ্গিক মানবতা হোক জীবনের মূল মন্ত্র। হ্যাঁ বন্ধুরা, আমরা এই গানটির সুরেই আজ এমন একটি জীবনের গল্প বলতে চাই ………
বাবা-মায়ের বড় আদরের দেয়া নাম তার মোঃ নুরুজ্জামান (৬৪), পিতা-মরহুম সুলতান আহমেদ, মাতা-মরহুমা রঞ্জনের নেছা। তিনি চাঁদপুরের শাহরাস্তি পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের সাহাপুর বাগান বাড়ির বাসিন্দা।
মোঃ নুরুজ্জামান একজন ডিপ্লোমা প্রকৌশলী। আর্থিক কারণে তিনি ডিপ্লোমা শেষে আর লেখাপড়া চালিয়ে যেতে পারেননি। তাই ঐ সময়ই তিনি কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। বিভিন্ন কারণে কর্মজীবনেও আর্থিক সচ্ছলতার মুখ দেখেননি তিনি। তার ২ ছেলে ১ মেয়ে। মেয়েকে পাত্রস্থ করেছেন তিনি। বর্তমানে জীবনের তাগিদে তিনি ঢাকায় বেসরকারি স্টীল ট্রাস্ট সলিউশন কোম্পানী লিমিটেড নামের একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের উত্তরার রাজউক কলেজের একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজের প্রকল্প বাস্তবায়নে নিয়োজিত আছেন।
১৯৭৮ সালে তিনি প্রথম বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ঐ সময় প্রথম বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া ছিলো ভাগ্যের ব্যাপার। তার ভালো ফলাফলে এলাকার মানুষ দলবেঁধে তার বাড়িতে দেখতে গিয়েছিলেন তার পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস আজ তিনি অসুস্থ হয়ে চিকিৎসার জন্য মানবিক সাহায়তার জন্য হাত বাড়িয়েছেন। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস কার ভাগ্যে কি আছে একমাত্র শ্রষ্টাই ভালো জানেন?
তিনি বিগত ১১ আগস্ট (সোমবার) ঢাকার উত্তরায় কাজ শেষে টঙ্গী যাবার উদ্দেশ্যে বাসে উঠতে গিয়ে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তার ডান পায়ের হাঁটুর নিচের দিকের অংশের হাড় ভেঙ্গে ফেলেন। দূর্ঘটনায় পর পরই তাকে উত্তরার বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া শেষে চিকিৎসক তাকে দ্রুত ঢাকার শেরেবাংলাস্থ পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিৎসক তার পায়ের অবস্থা খারাপ দেখে দ্রুত অপারেশন করার ব্যবস্থা করেন। তার আর্থিক অবস্থা তেমন ভালো নয়। ইতিমধ্যে আত্মীয় স্বজনের সহায়তায় ও ধারদেনা করে অপারেশন ও চিকিৎসা চলছে তার। ইতিমধ্যে চিকিৎসায় বাবদ তার ৭০ হাজারের অধিক পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে তার। অপারেশনের স্থানে প্রতিদিন ড্রেসিং করতে হয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তার পায়ের হাঁটুর হাড় ঠিক হতে আরও দুই সপ্তাহের বেশি সময় লাগবে। এদিকে চিকিৎসা বাবদ প্রতিদিন যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে তাতে চিকিৎসক জানিয়েছেন তার সুস্থতার জন্য আরও কমপক্ষে দেড় থেকে দুই লাখ টাকার প্রয়োজন হবে। কিন্তু অসহায় নুরুজ্জামানের হাতে কোন নগদ টাকা নেই।
এমতাবস্থায় অসুস্থ নুরুজ্জামান সুস্থ হয়ে কাজে ফিরে যেতে চিকিৎসার জন্য মানবিক সহায়তার জন্য সমাজের দানবীর ও বিত্তশালী এবং বন্ধু-শুভার্থীদের নিকট আর্থিক সহায়তার জন্য হাত বাড়িয়েছেন। কেউ সহায়তা করতে চাইলে নিচে তার বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠাতে পারেন।
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি বিগত ২৭ আগস্ট(বুধবার) ঢাকা শেরেবাংলাস্থ পঙ্গু হাসপাতালে পূণরায় ভর্তি হয়েছেন। আজ ২ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) তার পায়ে দ্বিতীয়বার অপারেশন করার কথা রয়েছে। আর্থিক অনটনের কারণে তিনি চিন্তিত। কারণ অপারেশন সহ অপারেশন পরবর্তী প্রয়োজনীয় ঔষধ পথ্য বাবদ প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটানোর কোন আর্থিক ব্যবস্থা ও সংস্থান নেই তার। তিনি বর্তমানে ঢাকাস্থ পঙ্গু হাসপাতালের নতুন ভবনের তৃতীয় তলার ওয়ার্ড নম্বর-বি, বেড নং -২৩ -এ ভর্তি আছেন।
কেউ আর্থিক সহায়তা করতে চাইলে নীচের বিকাশ নম্বরে সহায়তা প্রেরণ করতে পারেন।
মোঃ নুরুজ্জামান -এর বিকাশ নম্বর : 01712535789 (০১৭১২ ৫৩৫৭৮৯)
কেউ কথা বলতে চাইলে এই নম্বরে কথা বলতে পারেন:- +8801703776466






